নীলফামারী

কিশোরগঞ্জে যৌতুতের জন্য গৃহবধুকে নির্যাতন

কিশোরগঞ্জ(নীলফামারী) প্রতিনিধি:-

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলা সদর ইউনিয়নের কেশবা গ্রামে বিয়ের দুই বছর যেতে না যেতে যৌতুকের জন্য স্বামী ও শ্বশুর শাশুড়ীর নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এক গৃহবধু।

রোববার বিকালে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে কিশোরগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করে। এর আগেও ওই গৃহবধুকে একাাধিকবার নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

সরেজমিন ও অভিযোগে জানা গেছে, ২১ মাস আগে ৬লাখ টাকা দেনমোহর ধার্য করে বাহাগিলি ইউনিয়নের উত্তর দুরাকুটি নদীরপাড় গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের মেয়ে ডায়না ইসলাম হাসির সাথে সদর ইউনিয়নের কেশবা গ্রামের আব্দুল আজিজের ছেলে সোহেল রানার বিয়ে হয়। বিয়ের পর ডায়নার বাবা মেয়ের সুখের জন্য ধারদেনা করে দুইলাখ টাকা ও আসবাবপত্র কিনে দেন।

কিন্তু এতে মন ভরেনি স্বামী সোহেল রানার, শশুর আব্দুল আজিজ ও শাশুরী লাভলী বেগমের। ঘঁটনার দিন রোববার তারা আবারো ডায়নাকে তাঁর বাবার কাছ থেকে আরো তিনলাখ টাকা যৌতুক নিয়ে আসতে বলে। ডায়না এতে অসম্মতি জানালে তাঁকে বেধরক মারপিট করে উঠানে ফেলে রাখে।

খবর পেয়ে গৃহবধুর মামা ও দাদা দাদী তাঁকে দেখতে গেলে তাদেরও মারপিট করে তাড়িয়ে দেয়। পরে তাঁকে পুলিশের সহযোগিতায় উদ্ধার করে কিশোরগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। নির্য়াতিত গৃহবধু ডায়না জানান, আমার বাবা বিয়ের পর ধারদেন করে আমার স্বামীকে দুইলাখ টাকা ও আসবাবপত্র কিনে দেন। রোববার আবারো আমাকে তিনলাখ টাকা নিয়ে আসতে বলে। তাদের কথায় রাজী না হওয়ায় তারা আমাকে মারপিট করে মাটিতে ফেলে রাখে ।

ডাক্তার বলেছে আমার ডানহাতের হাড় ফেঁটে গেছে ও মাথায় গভীর ক্ষতের সুষ্টি হয়েছে। বাহাগিলি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সুজাউদ্দোলা লিপটন বলেন, মেয়ের বাবার কাছ থেকে অভিযোগ পেয়ে পুলিশের মাধ্যমে মেয়েটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

কিশোরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ ঘঁটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এ ঘঁটনায় এখোনো কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইননানুগ ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button