রংপুর

গঙ্গাচড়ায় বালুর স্তরে ঢেকেছে আমন ক্ষেত, কৃষকদের ব্যাপক ক্ষতি

গঙ্গাচড়ায় তিস্তার চরে বালুর স্তরে ঢেকেছে আমন ক্ষেত । ছবি-প্রতিনিধি

কমল কান্ত রায়,গঙ্গাচড়া(রংপুর):-
সাম্প্রতিক কালের ভয়াবহ বন্যায় রংপুরের গঙ্গাচড়ায় তিস্তার চরে বালুর স্তরে ঢেকেছে আমন ক্ষেত। নষ্ট হয়ে গেছে কয়েক“শ” একর জমির ক্ষেত। কৃষকরা ব্যাপক ক্ষতির শিকার । লন্ডভন্ড হয়েছে কৃষকের স্বপ্ন।

জানা যায়, এ বারের বন্যায় উজান থেকে আসা ঢলের সাথে নেমে আসে বালু আর পলি। আর সেই বালু আর পলি জমা হয় চরাঞ্চলের উঠতি ফসল আমন ক্ষেতে। ধানের চারাগুলো তলিয়ে গেছে বালু আর পলিতে। কৃষকরা জানান এসব ধান আর হবে না। গত বছর তারা এখানে আমন লাগিয়েছিল। বিঘা প্রতি ২০ থেকে ২৫ মন ধান হয়েছিল। এবার এক ছটাক ধানও ঘরে ওঠবে না। সরেজমিনে চরাঞ্চলে গিয়ে দেখা যায়, কয়েকদিন আগের সবুজ তরতাজা আমন ক্ষেতগুলো বালুর নীচে তলিয়ে গেছে।

তিস্তার তীরবর্তী লক্ষিটারী ইউনিয়নের বাগেরহাট এলাকার রুহুলের এক একর , মোস্তফার ৫০ শতক, মফিজার ৬৫ শতক, মেছদা ২২ শতক সহ আরো অনেকে উঠতি ফসল আমন ধান নষ্ট হয়ে গেছে। এবং চর বাগডোহরার হারুন অর রশিদের দেড় একর, আব্দুল মজিদের ৭৫ শতক, আবুল কালামের এক একর, শহিদ আলীর এক একর ২৫ শতক, একরামুলের এক একর সহ কয়েক’শ একর জমির ধান বালুতে তলিয়ে গেছে।

চর বাগডোহরার কৃষক হারুন অর রশিদ বলেন. বানের পানি মোর সউগ শেষ করি দেইল।এক ছটাক ধান এবার ঘরে উঠবে না। এই ধান ক্ষেত এখন গরু খায় না। এখানে কৃষকের কান্না সার হয়েছে। ” তিস্তার চর নোহালী ,শংকরদহ, পশ্চিম ইচলি, ধামুর, কলাগাছী, জয়রামওঝাসহ চরাঞ্চলের অধিকাংশ জমিতে এ রকম অবস্থা হয়েছে জানা গেছে।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, এ বছর বন্যায় ১৫৫০ হেক্টর জমি নিমজ্জিত হয়েছিল।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম বলেন, তিস্তার তীরবর্তী এলাকায় কিছু ক্ষতি হয়েছে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button