রংপুর

গঙ্গাচড়ায় ৪’শ একর জমি অনাবাদি থাকার আশংকা

স্টাফ রিপোর্টার,গঙ্গাচড়াঃ পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় রংপুরের গঙ্গাচড়ায় আমন মৌসুমে প্রায় ৪’শ একর জমি অনাবাদী থাকার আশংকা করছেন কৃষকরা। । এতে শতাধিক কৃষক ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। ঊৎপাদন কমছে। উপজেলার কোলকোন্দ ও লক্ষীটারী ইউনিয়নের পশ্চিমইচলি ও বিনবিনা এলাকায় তি¯তার পানি প্রবেশ করায় এ বছর প্রায় ৪’শ একর আবাদী জমি অনাবাদী থাকার আশংকা করছেন কৃষকরা। পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় তিস্তার পানি প্রবেশ করলেও বের হচ্ছেনা। কৃষকরা জানান, বেড়ি বাঁধের কারনে গত কয়েকবছর থেকে তিস্তার পানি ভিতওে প্রবেশ করতে পারেনি। কিন্তু এ বছর বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে পানি ভিতওে প্রবেশ করায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। বিনবিনা এলাকার কৃষক দুলু মুন্সি জানান, গত কয়েক বছর থেকে আমন আবাদ হলেও এ বছর বাঁধ ভেঙ্গে তিস্তার পানি প্রবেশকরায় আমন আবাদ এ বছর হওয়ার সম্ভাবনা নেই। প্রতিবছর তিনি ৪/৫ বিঘা জমিতে ধান লাগাতে পারেননি। একই এলাকার এরশাদুল এখনো ১২ বিঘা জমির ধান লাগাতে পারেননি। উক্ত জমিতে ধানসহ বিভিন্ন ফসল চাষাবাদ করে কৃষকরা সংসার চালান। দু-একজন ধান লাগালেও পানিতে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট এলাকার ইউপি সদস্য নুরন্নবী ভুট্টু বলেন, এ বছর প্রায় ৪’শ একর জমি অনাবাদী থাকার আশংকা দেখা দিয়েছে। অনেকে এখনো ধান লাগাতে পারেনি।
পশ্চিমইচলি এলাকার দায়িত্বপ্রাপ্ত উপ-সহকারি কৃষি অফিসার শফিকুল ইসলাম বলেন, চরইচলি এলাকায় একটি বাঁধ দেওয়ার কারনে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকার কারনে পশ্চিমইচলি এলাকায় জলাবদ্ধতার কারনে লোকজন এখনো আমন ধান লাগাতে পারেনি।
বিনবিনা এলাকার কৃষিবিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপ-সহকারি কৃষি অফিসার শারমিন আক্তার জাহান বলেন, তিস্তার পানি প্রবেশ করার কারনে আপাতত আমন ধান লাগাতে পারছেননা কৃষকরা।
উপজেলা কৃষিকর্মকর্তা কৃষিবিদ শরিফুল ইসলাম বলেন,এখনই আমন লাগানোর উপযুক্ত সময়। কিন্তু সেপ্টেম্বরের প্রথমসপ্তাহের মধ্যে না লাগালে ধান লাগানোর প্রয়োজন নেই। তখন কৃষকরাআগামঅন্য ফসল করতে পারবে। তবে তিনি আগামী সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বন্যা থাকার আশংকা করছেন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button