রংপুরস্থানীয়

তারাগঞ্জে পাঁচ ইউপিতে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত ও প্রতিদ্বন্দ্বি যারা

তারার আলো খবর:-

তৃতীয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে রংপুরের তারাগঞ্জের পাঁচটি ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত রবিবার সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার পাঁচ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের দলীয় প্রার্থীসহ ৩০ জন প্রার্থী চেয়ারম্যান পদে অংশ নেয়। যার মধ্যে ১নং আলমপুর ইউনিয়নে ৬ জন প্রার্থী, ২নং কুর্শা ইউনিয়নে ৫ জন, ৩নং ইকরচালী ইউনিয়নে ৫ জন, ৪নং হাড়িয়ারকুঠি ইউনিয়নে ৭ জন এবং ৫নং সয়ার ইউনিয়নে ৬ জন প্রার্থী ইউপি চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে অংশ নেয়। রবিবার এসব ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার পর রাতে ফলাফল সংগ্রহ করে তা প্রকাশ করেন দায়িত্বরত রিটার্নিং কর্মকর্তাদ্বয়।

তাদের দেওয়া ফলাফল অনুযায়ী আলমপুর ইউনিয়নে আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী রবিউল ইসলাম রাসেল মোটর সাইকেল প্রতীক নিয়ে ৬ হাজার ৬৫১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী দেলোয়ার হোসেন নৌকা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩ হাজার ৫৬২ ভোট ও খায়রুল ইসলাম চশমা প্রতীক নিয়ে ২ হাজার ৭৩৩ ভোট নিয়ে ৩য় হয়েছেন। জাতীয় পার্টির প্রার্থী আব্দুল মান্নান লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে ১ হাজার ৯১২ ভোট পেয়ে ৪র্থ অবস্থানে রয়েছেন।

কুর্শা ইউনিয়নে আওয়ামীলীগের দলীয় প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান আফজালুল হক সরকার নৌকা প্রতীক নিয়ে ৭ হাজার ৬৮৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু সালেক মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৭ হাজার ২৫০ ভোট।

ইকরচালী ইউনিয়নে আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ইদ্রিস উদ্দিন চশমা প্রতীক নিয়ে ৬ হাজার ৬৫২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি স্বতন্ত্র প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম ঘোড়া প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩ হাজার ৯৪৮ ভোট। স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক চেয়ারম্যান মোবারক হোসেন প্রামানিক আনারস প্রতীক নিয়ে ৩ হাজার ৭৩৯ ভোট পেয়ে ৩য় ও আওয়ামীলীগের দলীয় প্রার্থী আতিউর রহমান লিংকন নৌকা প্রতীক নিয়ে ২ হাজার ৯৩১ ভোট পেয়ে ৪র্থ অবস্থানে রয়েছেন।

হাড়িয়ারকুঠি ইউনিয়নে জাসদ মনোনীত প্রার্থী জাসদ নেতা কুমারেশ রায় মশাল প্রতীক নিয়ে ৮ হাজার ৯৪০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি আওয়ামীলীগের দলীয় প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক হারুন-অর-রশিদ বাবুল পেয়েছেন ৭ হাজার ৮৮৯ ভোট।

এদিকে সয়ার ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী আল ইবাদত হোসেন পাইলট মোটর সাইকেল প্রতীক নিয়ে ৫ হাজার ২৯৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি সাবেক চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম খান চশমা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩ হাজার ৮৮৯ ভোট এবং আওয়ামীলীগের দলীয় প্রার্থী মুশফিকুর রহমান রনি নৌকা প্রতীক নিয়ে ২ হাজার ৭৮১ ভোট পেয়ে ৩য় অবস্থানে রয়েছেন।

নির্বাচন উপলক্ষে উপজেলার আলমপুর, কুর্শা ও সয়ার ইউনিয়নের রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্বে ছিলেন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা সাদ্দাম হোসেন ও ইকরচালী ও হাড়িয়ারকুঠি ইউনিয়নের রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্বে ছিলেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আলতাফ হোসেন। রিটার্নিং কর্মকর্তাগণ বলেন,তাদের সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের স্বতঃস্ফুর্ত অংশ গ্রহণে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button