রংপুরস্থানীয়

তারাগঞ্জ সহ রংপুরে স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী বিক্রি কমেছে

রংপুর প্রতিনিধি :-

তারাগঞ্জ সহ রংপুরের বাজার থেকে শুরু করে সকল স্থানে স্বাস্থ্যবিধি তেমন মানা হচ্ছে না। এ অসচেতনতার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে সুরক্ষা সামগ্রীর বিক্রির ক্ষেত্রেও। উপরন্তু শীতে তা আবারো বিপর্যয়কর রূপ নিতে যাচ্ছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

যদিও জনগণের মধ্যে ব্যবহারের প্রবণতা কমে আসায় গøাভস, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, লিকুইড জবাণুনাশক, সু কাভার, সুরক্ষা পোশাক ইত্যাদি সুরক্ষা সামগ্রীর বিক্রি কমেছে। একমাত্র মাস্ক কিছু পরিমাণে বিক্রি হলেও তা আগের চেয়ে অনেক কম। নগরী মেডিকেল মোড় জাহাজকোম্পানী মোড়, লালবাগসহ আরো কয়েকটি স্থানের কয়েকজন সুরক্ষা সামগ্রী বিক্রির ব্যবসায়ীরা বলছেন, মহামারীর শুরুর দিকে ব্যাপক চাহিদা তৈরি হওয়ায় চড়া দামে বিক্রি হয়েছিল সুরক্ষা সামগ্রী।

ওই সময় বাজারে প্রচুর নকল সুরক্ষা সামগ্রীর আধ্যিক্যও দেখা যায়। পরবর্তী সময়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ পদক্ষেপ নিলে বাজারে এসব নকল সুরক্ষা সামগ্রীর সরবরাহ কমতে থাকে। বর্তমানে চিত্র পুরোপুরি উল্টো। এসব সুরক্ষা পণের সরবরাহ এখন পর্যাপ্ত। কিন্তু কিছু পরিমাণে মাস্ক বিক্রি হলেও অন্যান্য সুরক্ষা সামগ্রী তেমন একটা বিক্রি হচ্ছে না। স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্টজনরা বলছেন, করোনা নিয়ে মানুষের কাছে একটা ভুল বার্তা গিয়েছে।

এজন্য মানুষ বিষয়টিকে তেমন একটা গুরুত্ব দিচ্ছে না। তারা আরো বলেন, আগে রংপুরে একেকজন ব্যবসায়ী প্রতিদিন হাজার পিসের বেশি মাস্ক বিক্রি করলেও এখন বিক্রি হয় ৫০০ এ নিচে। নগরীর কয়েকটি ওষধের দোকানে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সুরক্ষা সামগ্রী বিক্রি হচ্ছে অনেক কম। মাস্কের বিক্রি কিছুটা থাকলেও জীবাণুনাশক দ্রব্য, গøাভস, সু কাভার, সুরক্ষা পোশাক বিক্রি হচ্ছে কালেভদ্রে। ব্যবসায়ীরা জানান, আগে দিনে ৫ থেকে ১০ প্যাকেট মাস্ক এবং অর্ধশতাধিক হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিক্রি হলেও এখন দিনে ৫টিও স্যানিটাইজার বিক্রি হয় না।

মাস্ক কিছু বিক্রি হলেও তা আগের তুলনায় ৪০ শতাংশের বেশি নয়। গøাভস এখন কেউ কিনছে না। সংক্রামক ব্যাধি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনার বিষয়টি নিয়ে মানুষের মাঝে তেমন একটা সচেতনতা কাজ করছে না।

একই সঙ্গে এসব সামগ্রী ব্যবহারের সঙ্গে অর্থনৈতিক বিষয়ও জড়িত। একমাত্র মাস্ক বাদে অন্য সব সুরক্ষা সামগ্রী অনেক মানুষেই ক্রয়ক্ষমতার বাইরে।

এছাড়া অনেক সামগ্রী মাত্র একবারই ব্যবহার করা যায়।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button