জাতীয়

তিন দফার রিমান্ড শেষে আবার কারাগারে আলোচিত এই চিত্রনায়িকা: পরীমনি

তারার আলো অনলাইন ডেস্ক: বাংলাদেশে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় কারাগারে আটক থাকা অভিনেত্রী পরীমনিকে তৃতীয় দফার রিমান্ড শেষে আজ আদালতের উপস্থাপনের পর আদালতের নির্দেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আজ শনিবার আদালতে উপস্থাপনের পর তদন্ত কর্মকর্তা আর কোন রিমান্ড না চেয়ে পরীমনিকে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করেন।

পরে শুনানি শেষে আদালত তাকে কারাগারে পাঠিয়েছে বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আবু আব্দুল্লাহ।

এর আগে সকালে তাকে মাইক্রোবাসে করে কাশিমপুর কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়।

গত ৪ঠা অগাস্ট পরীমনিকে তার বনানীর বাসা থেকে আটক করে ওই বাসা থেকে মাদক উদ্ধারের দাবি করে র‍্যাব।

ওইদিন প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টার বেশি সময় ধরে ওই বাসায় অভিযান চালায় র‍্যাব। পরদিন র‍্যাব এক সংবাদ সম্মেলনে দাবি করে যে পরীমনি আগে থেকেই অ্যালকোহলে আসক্ত এবং তার বাসা থেকে ১২০টি আগের ব্যবহার করা বোতল ও ১৯টি বিদেশি মদের বোতল তারা উদ্ধার করেছে।

অভিযানের সময় বিপুল পরিমাণ মদ ছাড়াও এলএসডি ও আইসের মতো মাদক উদ্ধার করা হয়েছে বলে র‍্যাব দাবি করে।

র‍্যাব আটক করলেও এই মামলার তদন্তভার প্রথমে পায় ঢাকার মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পরবর্তীতে পুলিশ সদর দপ্তরের আদেশে তদন্তভার যায় অপরাধ তদন্ত বিভাগ বা সিআইডিতে।

৫ই অগাস্ট আদালতে উপস্থাপনের পর তাকে চারদিনের রিমান্ডে নেয়া হয়।

পরীমনির সঙ্গে একই দিন গ্রেপ্তার হওয়া চিত্র পরিচালক নজরুল ইসলাম রাজকে মাদক মামলায় দু’দিন এবং পর্নোগ্রাফি মামলায় সহযোগী সবুজ আলীসহ চারদিনের রিমান্ড দিয়েছেন আদালত।

দু’দিনের রিমান্ড শেষে শুক্রবার আদালতে উপস্থাপনের পর তার জামিন আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয় আদালত।

পরে সোমবার তার পক্ষ থেকে আবারো জামিনের আবেদন করা হয় যার শুনানির দিন ধার্য ছিলো বুধবার। কিন্তু সেদিনই শুনানির আগে রাষ্ট্রপক্ষ জানায় যে সিআইডি পরীমনিকে আরও পাঁচ দিনের রিমান্ডে চেয়ে আবেদন করেছে।

পরে আদালত বৃহস্পতিবার শুনানির দিন ধার্য করে এবং সেদিন তাকে এক দিনের রিমান্ডে দেয়া হয়।

ওদিকে আটক থাকা অবস্থাতেই পরীমনির সাথে এক পুলিশ কর্মকর্তাকে জড়িয়ে কিছু ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার হলে ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্তের আদেশ দেয় পুলিশ কর্তৃপক্ষ।

তারার আলো/ বিবিসি

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button