নীলফামারীস্থানীয়

বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মাদ্রাসা ছাত্রের মৃত্যু 

স্টাফ রিপোরটার,সৈয়দপুর (নীলফামারী) :

নীলফামারীর সৈয়দপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে রবিউল ইসলাম (১৬) নামে এক মাদ্রাসা ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। গত শুক্রবার রাত সাড়ে আটটার দিকে উপজেলার বাঙ্গালীপুর ইউনিয়নের হামিউস সুন্নাহ্ ফয়জুল উলুম ক্বওমী মাদ্রাসায় ওই ঘটনাটি ঘটে। নিহত রবিউল ইসলাম সৈয়দপুর পৌরসভার পশ্চিম পাটোয়ারীপাড়ার আবুল কাশেম বাবুর ছেলে। 

এদিকে, শনিবার সকাল ১০টার দিকে তার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতির সময় আত্বীয়-স্বজন ও এলাকার লোকজন থানায় জড়ো হন। তাঁরা ময়নাতদন্ত না করার জন্য পুলিশ প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানান। কিন্তু পুলিশ আত্মীয়স্বজনদের অনুরোধ উপেক্ষা করে ময়না তদন্তের জন্য মরদেহ হাসপাতালে পাঠান।

নিহত ছাত্রের বাবা আবুল কাশেম বাবু  জানান, আমার ছেলে দূর্ঘটনায় মারা গেছে। এ ঘটনায় কেউ দায়ী নয়। পুলিশকে লিখিত অনাপত্তি দেয়া সত্ত্বেও মরদেহের ময়নাতদন্ত করছে। মানবিক বিষয়টি পুলিশ এড়িয়ে গেল।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, উল্লিখিত এলাকার আবুল কাশেম বাবু’র ছেলে রবিউল ইসলাম। সে  স্থানীয় হামিউস সুন্নাহ্ ফয়জুল উলুম ক্বওমী মাদ্রাসার  হিফজ বিভাগের ছাত্র ছিল। ঘটনার দিন সন্ধ্যায় সে মাদ্রাসার ফ্রিজে বৈদ্যুতিক সংযোগ দিতে গিয়ে অসাবধানবশত বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়। এ সময় গুরুতর আহত অবস্থায় মাদ্রাসার শিক্ষক ও সহপাঠীরা রবিউলকে উদ্ধার করেন। পরে তাকে সৈয়দপুর ১০০ শয্যা বিশিষ্ট  হাসপাতালে নিয়ে যান। এ সময় সেখানে  জরুরী বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। 

 

সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা নাজমুল হুদা বলেন, হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই তার মৃত্যু হয়। সৈয়দপুর থানার অফিসার ইনচার্জ  (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, পুলিশ যখন হাসপাতালে মরদেহ নিতে যায় সেই সময় তার আত্বীয়-স্বজন দাবি করেন তাকে হত্যা করা হয়েছে।

পরে সকালে তাঁরাই আবার এটিকে দূর্ঘটনা দাবি করে ময়নাতদন্ত না করার জন্য অনুরোধ করেন। তাই মৃত্যুর সঠিক কারণ জানার জন্যই মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button