জাতীয়স্থানীয়

শীতের আগমনে, ব্যস্ততা বেড়েছে গরম কাপড় ব্যবসায়ী ও লেপ তোষক কারিগরদের

গরম কাপড়ের দোকানে শীত বস্ত্র কেনা-বেচার চিত্র। ছবি- গত বছর শীতের সময়ের (ফাইল)

তারার আলো খবর ও অনলাইন ডেস্ক:-

শীত আসছে জানিয়ে দিচ্ছে প্রকৃতি। সারা দিন রোদের রাজত্ব শেষে সন্ধ্যা নামতেই বদলে যাচ্ছে তাপমাত্রা। ভোরের দিকে চাদর বিছিয়ে দিচ্ছে কুয়াশা। তবে এখনো জেঁকে বসেনি শীত। শীতকে মোকাবিলা করতে উত্তরাঞ্চল সহ সারাদেশের ফুটপাত ও বড় বড় শপিংমল সহ ফুটপাতের দোকান গুলোতে গরম কাপড়ের পসরা নিয়ে বসেছেন দোকানিরা। তবে বেচা-কেনা এখনো জমে ওঠেনি।

প্রতিনিয়তই তরুণ-তরুণীদের ফ্যাশন পরিবর্তন হচ্ছে। তাই তাদের যদি নতুন কোনো রূপে দেখা যায়, তাহলে অবাক হওয়ার কিছুই নেই। ফ্যাশন হাউসগুলো সব সময়ই দেশি উপকরণ নিয়ে কাজ করে। সালোয়ার-কামিজ পরা মেয়েদের জন্য আছে লং জ্যাকেট, পঞ্চ। ফুলহাতা উজ্জ্বল রঙের লম্বা পাঞ্জাবিও আছে; যা চুড়িদার পায়জামার সঙ্গে পরে তার ওপর একটা শাল জড়িয়ে নিলে ফ্যাশনও হবে, পাবে আরামও। এখন তরুণীরা পছন্দ করছেন মোটা কাপড়ের টপস, লেগিংস আর বাহারি ডিজাইনের কার্ডিগেন। শাড়ির ক্ষেত্রে ফুলস্লিভ ব্লাউজ আর শাড়ির সঙ্গে মিলিয়ে শাল জড়িয়ে হয়ে উঠতে পারেন অনন্য। টি-শার্ট বা শার্ট পরলে ওপরে পরতে পারেন হাতাকাটা সোয়েটার। অথবা একটু ঢিলেঢালা পুলওভার।

ছেলেদের জন্য শীত উপলক্ষে জ্যাকেটের পাশাপাশি ফুলহাতা টি-শার্ট, ফুলহাতা শার্ট, খদ্দর কাপড়ের আরামদায়ক ট্রাউজারও আছে। শীতে আঁটসাঁটো নয়, বরং ঢিলেঢালা পোশাকই পরতে আগ্রহী কিশোরী আর তরুণীরা। পশমী বা উলের ক্রুসকাটার কাজ করা সোয়েটার পরছেন অনেকেই। সোজা কাটের পোশাকের সঙ্গে বেছে নিতে পারেন হাঁটু পর্যন্ত লম্বা ব্লেজার। জ্যাকেট আর ব্লেজারের সংমিশ্রণে তৈরি নতুন ধরনের শীতের পোশাক উঠে আসছে তরুণদের পছন্দের তালিকায়। অফিসের প্রয়োজনে ব্লেজার পরতে পারেন।

ডিজাইনের ওপর পোশাকের দামেরও ভিন্নতা আছে। বিভিন্ন ধরনের চামড়ার নকশা করা জ্যাকেট কেনা যাবে ১ হাজার ৮০০ থেকে ৮ হাজার টাকায়। ক্যাজুয়াল ব্লেজারের দাম পড়বে ১ হাজার ৫০০ থেকে ৪ হাজার টাকা। হুডি জ্যাকেট বা সোয়েটার দোকানভেদে দাম পড়বে ৯০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা। আর উলের সোয়েটার ৭০০ থেকে ২ হাজার ৮০০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। তাঁতের শালগুলোর দাম পড়বে ৮০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা। আর বিভিন্ন ধরনের কাজ করা শালের দাম ১ হাজার ২০০ থেকে ৩ হাজার টাকা। অনেকের খদ্দরের শাল পছন্দ বলে বেশি শীতের জন্য খদ্দরের ভারী শালও আছে। হালকা, মাঝারি আর ভারী এ তিন ধরনের শালই এসব বাজারে পাওয়া যাচ্ছে।

এদিকে, আসছে শীতের আগমনের জন্য উত্তরাঞ্চলের জেলা উপজেলা শহরে বিভিন্ন লেপ-তোষকের দোকানের কারিগরদের বাড়ছে ব্যস্ততা।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button