নীলফামারী

সৈয়দপুরের হাসিনা সারাদেশের ইউপি নির্বাচনে এ পর্যন্ত নৌকার দ্বিতীয় সর্বনিম্ন ভোট প্রাপ্ত

[ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক থেকে সংগৃহীত]

তারার আলো ডেস্ক:

সারাদেশের ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চতুর্থ ধাপের নির্বাচনে নীলফামারী জেলার সৈয়দপুরের খাতামধুপুর ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকে দেশের দ্বিতীয় সর্বনিম্ন ভোটের রেকর্ড করেছেন স্থানীয় প্রার্থী। গত রবিবার(২৬ ডিসেম্বর) অনুষ্ঠিত নির্বাচনে খাতামধুপুরে চেয়ারম্যান পদে ৯৩ ভোট পেয়ে এই রেকর্ড করেন আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী হাসিনা বেগম।

উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত ও আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী প্রার্থীদের মধ্যে সবচেয়ে কম ভোট পেয়েছেন তিনি। চলমান ইউপি নির্বাচনে নৌকার প্রার্থীর সর্বনিম্ন ভোট প্রাপ্তির ক্ষেত্রে একের পর এক রেকর্ড সৃষ্টি হয়ে চলছে। তৃতীয় ধাপের নির্বাচনে কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার কৈয়ার বিল ইউনিয়নের জান্নাতুল রেখা ৯৯ ভোট পেয়ে সর্বনিম্ন ভোটপ্রাপ্তিতে প্রথম রেকর্ড করেন।

কিন্তু তৃতীয় ধাপের নির্বাচনেই তাকে পিছনে ফেলে প্রথম হন একই উপজেলার চিরিংগা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে নৌকার প্রার্থী শাহনেওয়াজ রুমেল। তিনি পেয়েছিলেন মাত্র ৬৭ ভোট। এবার খাতামধুপুরের হাসিনা বেগম কৈয়ার বিলের রেখাকে পেছনে ফেলে দখল করে নিয়েছেন সারাদেশে নৌকার সর্বনিম্ন ভোট প্রাপ্তিতে দ্বিতীয় স্থান।

ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য মিজানুর রহমান নজু বলেন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আজম আলী সরকারের স্ত্রী ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ১ নং ওয়ার্ড সভাপতি হাসিনা বেগমকে নীলফামারী জেলার সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য রাবেয়া আলীমের সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে নৌকা প্রতীকে মনোনয়ন দেয়া হয়।

তিনি বলেন, ‘আমরা তৃণমূল থেকে প্রার্থী দিয়েছিলাম সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম মোখলেছুর রহমান সরকারের ছেলে এবং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আজমল হোসেন সরকারের ছোট ভাই যুবলীগের সভাপতি মাসুদ রানা পাইলটকে।’

তিনি জানান, তৃণমূলের মতামতকে উপেক্ষা করে একজন অযোগ্য প্রার্থীকে নৌকা দেয়ায় এলাকাবাসীর মাঝে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। তাদের অনুরোধেই বিদ্রোহী প্রার্থী করা হয় মাসুদ রানা পাইলটকে। মোটরসাইকেল প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে তিনি বর্তমান চেয়ারম্যান ও অপর স্বতন্ত্র প্রার্থী জুয়েল চৌধুরীকে পরাজিত করেন।

উল্লেখ্য ইতোপূর্বে ইউনিয়নে সংরক্ষিত নারী মেম্বার হলেও হাসিনা ও তার স্বামী আজম আলীর বিতর্কিত কর্মকান্ডের জন্য এলাকায় তাদের গ্রহণযোগ্যতা নেই।

সূত্র: ডিএন/এফবি/ টিএ

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button